পবিত্র মক্কার এক উদ্ভাবক নিয়ে এলেন এয়ারকন্ডিশন “মক্কা ছাতা”

নিজস্ব প্রতিনিধি, বর্তমানকন্ঠ ডটকম : নতুন নতুন উদ্ভাবন যেমন চমকে দেয় দুনিয়াকে তেমন মানব কল্যানে অবদান রেখে জীবন যাপন করছে সহজতর । এবার সৌদি আরবের পবিত্র মক্কার এক উদ্ভাবক মোহাম্মদ বিন হামেদ আস-সায়েগ নিয়ে এলেন এয়ারকন্ডিশন “মক্কা ছাতা”। ছাতাটি বানিজ্যিক ভাবে বাজারজাত শুরু হয়েছে । ছাতাটির বিশেষত হলো উপরে সেটিং করা একটি ফ্যান নিচের হাতলে রক্ষিত পানি টেনে উপরে তুলে শিশিরের মতো বর্ষণ করে থাকে । এতে করে শিশির ভেজা সুশিতল বাতাসে প্রচন্ড গরম থেকে স্বস্তি পাওয়া যায় । প্রচন্ড গরম লাগবে এই ছাতা হাজীদের স্বস্তি দিবে বলে উদ্ভাবকের বিশ্বাস ।

এর আগে গেল বছর প্রখর রোধ থেকে ছায়া, ফ্যানের বাতাস, জিপিএস এবং চার্জিং সুবিধাসহ তৈরি করা হয়েছিল র্স্মাট ছাতা। আসন্ন হজ্জের সময় মুসল্লিদের কষ্ট কমাতে সৌদির এক বিজ্ঞানি নিয়ে এসেছেন এই “কাফিয়া” র্স্মাট ছাতা।

ভৌগলিক কারণেই সৌদি আরবে গরম বেশি। ৪০ ডিগ্রির উপর তাপমাত্রা এখানকার সাভাবিক নিয়ম। হজ্জের মৌসুমে লাখ লাখ মুসল্লিদের ভিড়ে গরম যেন বেড়ে যায় আরো। প্রচণ্ড গরমে হাজীদের স্বস্তি দিতে চেষ্টার কমতি নেই সৌদি সরকারেরও।

এবার হাজীদের গরমে কষ্ট কমাতে নতুন এক ধরণে ছাতা তৈরি করেছেন দুই উদ্যোগতা। তীব্র রোদে কেবল ছায়া নয়, ফ্যানের বাতাসও দিবে এই ছাতা। ছাতার সাথে যুক্ত আছে ছোট একটি ফ্যান। যার বিদ্যুৎ সরবারহ আসবে সৌর-বিদ্যুৎ থেকে।

এই ছাতার উদ্ভাবক কামেল বাদাওয়ি বলেন, হাজীরা সাধারণত রোদ থেকে বাঁচার জন্যই ছাতা ব্যবহার করেন। আগে কেউ ভাবেনি শুধু ছায়া ছাড়াও অন্যান্য সুবিধা পাওয়া যেতে পারে ছাতা থেকে। ছাতায় ফ্যান যুক্ত করাকে খুব গুরুত্ব দিয়েছি আমরা। কারণ আগামি ১২ বছর হজ্জ পড়বে প্রচণ্ড গরমের মৌসুমে। আর সৌর-বিদ্যুৎতের সুবিধা হল সার্বক্ষণিক বিদ্যুত সরবারহ থাকছে।

ফিলিস্তিনি সহকর্মী মানাল দাম্বিসকে সাথে নিয়ে এই ছাতা উদ্ভাবন করেছেন মক্কার বিজ্ঞানি কামাল বাদাওয়ি। গরমে আরাম দেয়ার পাশাপাশি হাজীদের হারিয়ে যাওয়া ঠেকাতে জিপিএস প্রযুক্তি থাকছে এই ছাতায়। আরো আছে মোবাইল কিংবা অন্যান্য ইলেক্টনিক্স ডিবাইসে চার্জ দেয়ার ব্যবস্থা।

অনেক সুবিদার এই ছাতায় প্রয়োজনীয় বিদ্যুৎ সরবারহের জন্য যুক্ত আছে বেশ কয়েকটি সোলার ফ্যানেল। দুই উদ্ভাবকের আশা শুধু হাজীদের মধ্যে নয়, বিশ্বের অন্যান্য দেশেও জনপ্রিয়তা পাবে এই ছাতা।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *