মাদ্রিদে আনজুমানে আল ইসলাহের্ উদ্যোগে ঐতিহাসিক বদর দিবস পালন

কবির অল মাহমুদ, বর্তমানকন্ঠ ডটকম, মাদ্রিদ , স্পেন : আনজুমানে আল ইসলাহ স্পেন এর উদ্যোগে ঐতিহাসিক বদর দিবস এবং রামাদ্বানের তাৎপর্য শীর্ষক এক আলোচনা ও ইফতার মাহফিলের আয়োজন করা হয়।শনিবার (২ জুন ) ১৭ই রমজান মাদ্রিদের শাহজালাল লতিফিয়া ফুলতলী জামে মসজিদে আয়োজিত আলোচনা সভায় সভাপতিত্ব করেন সংগঠনটির স্পেন শাখার সভাপতি মাওলানা আসাদুজজামান রাজ্জাক।

আনজুমানে আল ইসলাহ স্পেনের যুগ্ম সাধারন সম্পাদক এম আবুল কালাম শিবলু ও মাদ্রিদ মহানগর কমিটির সাধারন সম্পাদক মাওলানা আজমল হোসেন এর যৌথ সঞ্চালনায় বক্তব্য দেন আনজুমানে আল ইসলাহ মাদ্রিদ মহানগর এর সভাপতি মাওলানা খলিলুর রহমান, বাংলাদেশ অ্যাসোসিয়েশনের প্রাক্তন সভাপতি বিশিষ্ট ব্যাবসায়ী আল মামুন, সাবেক সহ সভাপতি আব্দুল কায়ুম মাসুক, সদ্য সাবেক সাধারন সম্পাদক কামরুজ্জামান সুন্দর, গ্রেটার সিলেট অ্যাসোসিয়েশনের সভাপতি লুৎফুর রহমান, স্পেন বিএনপির যুগ্ম সাধারন সম্পাদক হুমায়ূন কবির রিগ্যান, শাহজালাল লতিফিয়া ফুলতলী জামে মসজিদের সাবেক সভাপতি মো: ইসলাম উদ্দীন মাও: আতিকুর রহমান, আহমদ আসাদুর রহমান সাদ ও ক্বারী এনাম প্রমুখ।

বক্তারা বলেন, পবিত্র বদর যুদ্ধে রসূল (সা.) এর নেতৃত্বে ৩১৩ জন সাহাবী আল্লাহ তায়ালার গায়েবী সাহায্যপ্রাপ্ত হয়ে তৎকালীন কাফের গোত্রসমূহের সরদার ও নেতৃস্থানীয় ব্যক্তিসহ ৭০ জনকে হত্যা করে ইসলামকে বিজয়ী করেছিলেন। আল্লাহ তায়ালার গায়েবী সাহায্যের মাধ্যমে ইসলামের সকল যুদ্ধে মুসলমানেরা বিজয়ী হয়েছিলেন। আজো ইসলাম প্রতিষ্ঠিত করতে হলে মহান আল্লাহর গায়েবী সাহায্য লাগবে। আর আল্লাহর গায়েবী সাহায্য পাওয়ার মাপকাঠি হচ্ছে আধ্যাত্মিক শক্তি, যা আমাদের অর্জন করতে হবে।

সভাপতির বক্তব্যে মাওলানা আসাদুজজামান রাজ্জাক বলেন, সারা পৃথিবীতে মুসলমানদের পতনের মূল কারণ হচ্ছে অনৈক্য। যতদিন এই অনৈক্য দূর না হবে এবং সবাই এক প্লাটফর্মে না আসতে পারবে ততদিন পর্যন্তই তারা মার খেতে থাকবে।বদর যুদ্ধ ইসলাম এবং মুসলমানদের জন্য এক ঐতিহাসিক গুরুত্বপূর্ণ শিক্ষা। ইসলাম যে শিক্ষা মুসলমানদের প্রতিনিয়ত দিয়ে আসছে। আর তা হলো- সব কাজে ‘তাওয়াক্কালতু আ’লাল্লাহ’ আল্লাহর ওপর অগাধ বিশ্বাস এবং ভরসা। বিপদ-আপদসহ সর্বাবস্থায় আল্লাহর ওপর আস্থাশীল হওয়াই হলো বদরের ঐতিহাসিক সুমহান শিক্ষা।
অনুষ্ঠান শেষে বিশ্বের সকল নির্যাতিত মুসলমানদের মুক্তি ও কল্যাণ কামনা করে বিশেষ মোনাজাত করা হয়। পরে বিভিন্ন দেশের মুসলমানগন ইফতারে অংশ নেন।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *